১৫ এপ্রিল, ২০২৪

নতুন এক পৃথিবীতে ফারিণ


ভারতের অন্য শহরের মতো কলকাতাতেও এখন বইছে ‘পাঠান’ঝড়। এই উন্মাদনায় ফারিণও শামিল হয়েছেন। ২৬ জানুয়ারি সাউথ সিটির আইনক্সে ছবিটি দেখেছেন, ‘আগে বড় পর্দায় শাহরুখ খানের ছবি কোনো দিন দেখা হয়নি। তাই খুব ইচ্ছা ছিল। ২৫ তারিখে টিকিট পাইনি। ২৬ তারিখে সকাল ৯টার শো দেখেছি। দেখতে বসে শুধুই শাহরুখের দিকেই নজর ছিল। আসলেই এই ছবি দিয়ে “কিং ইজ ব্যাক”। দেখছিলাম আর ভাবছিলাম, একজন মানুষের মধ্যে কী জাদু আছে, চার বছর পর ফিরে দর্শকদের মুগ্ধ করে চলেছেন!’এই ‘পাঠান’ উন্মাদনার অন্য একটা দিকও আছে। যশ রাজের হিন্দি ছবিটির কারণে কলকাতার বাংলা সিনেমা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, এমন মন্তব্য করেছেন টালিগঞ্জের অনেক নির্মাতা, অভিনয়শিল্পী, প্রযোজক। এই পরিস্থিতিতে ফারিণের ছবিতেও কী প্রভাব পড়বে না? এমন প্রশ্নের উত্তরে ফারিণ বলেন, ‘কিছুটা পড়তেই পারে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গজুড়েই অতনু দাদার সিনেমার একটা দর্শক আছে। তাঁরা নিশ্চয়ই ছবিটি মিস করবেন না। বাংলাভাষীরা যে সিনেমাটি দেখতে হলমুখী হবেন, সেটি প্রচারে গিয়ে টের পাচ্ছি। তবে অনেক সময় সিনেমার ব্যবসা ভাগ্যের ওপরও নির্ভর করে। যেকোনো পরিস্থিতি মেনে নেওয়ার জন্য আমরা  প্রস্তুত।’মুক্তির আগেই তাঁর প্রথম সিনেমা দেখার সুযোগ ফারিণের হয়েছে। দেখার পর ছবিটি নিয়ে প্রত্যাশা যেমন বেড়েছে, তাঁর নিজের কাজের প্রতিও আস্থা বেড়েছে, জানালেন ফারিণ। বলেন, ‘আমন্ত্রিত অতিথিসহ ছবিসংশ্লিষ্ট সবাই মিলে গত ২৮ জানুয়ারি কলকাতার নন্দনে ছবিটি দেখেছি। আমার কাছে অসাধারণ মনে হয়েছে। আশা করছি দর্শকদের কাছেও ছবিটি ভালো লাগবে।’
‘আরও এক পৃথিবী’ মুক্তির পর আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি ফারিণের দেশে ফেরার কথা আছে।

author

নিউজ ডেস্ক